এডিট যার, ডকুমেন্টরি তার (পর্ব ৩)
জানলার বাইরে আনমনে তাকিয়ে কৌরব। আউটস্পোকেন জ্যোছনা নির�...
A Living Archive of Inquiry
Thoughtful perspectives on culture, philosophy, inner freedom, and daily life preserved for contemplative reading.
জানলার বাইরে আনমনে তাকিয়ে কৌরব। আউটস্পোকেন জ্যোছনা নির�...
কৌরব আজ ওর নামের মানে কিছুটা হলেও বুঝতে পারে। বুঝতে পারে �...
সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামের ঘটনায় সারা দেশ যখন তোলপাড় তখন কৌর...
Insight from the Corpus
“সাধনা ব্যতীত তত্ত্ব নিষ্ফল, আর তত্ত্ব ব্যতীত সাধনা অন্ধ”
আজ থেকে অনেক অনেক দিন আগের কথা। সেই সত্যযুগ ও ত্রেতাযুগে�...
হঠাৎ খেয়াল করে সব কিছুই কেমন শান্ত হয়ে গেছে। গাড়ি চলছে, রা...
হাতের সিগারেট শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও দুজনে বেশ কিছুক্ষণ ওখা...
Reader's Pause
“এই তপঃ-স্বাধ্যায়ের যুগলবন্দি নিছক যোগশাস্ত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, তা ভারতীয় সাহিত্যেরও গভীরে প্রোথিত। বাল্মীকি রামায়ণের প্রথম শ্লোকেই আমরা দেখি, বাল্মীকিকে বর্ণনা করা হয়েছে "তপঃস্বাধ্যায়নিরতম্" বলে — তপঃ ও স্বাধ্যায়ে নিরত। আর সমগ্র রামায়ণ রচনার পশ্চাতে বাল্মীকির নিজের কোনো কর্তৃত্বাভিমান ছিল না; ঐতিহ্য অনুসারে তিনি নিমিত্তমাত্র, স্বয়ং ব্রহ্মার আশীর্বাদে আবিষ্ট হয়ে এই মহাকাব্য রচনা করেছিলেন। ফলে গ্রন্থের সূচনাতেই তপঃ ও স্বাধ্যায়ের উপস্থিতি, এবং সমগ্র রচনাকর্মটিই যেন বাল্মীকির নিজস্ব ঈশ্বরপ্রণিধান — এই সংযোগ কোনোভাবেই আকস্মিক মনে হয় না। বরং এ থেকে বোঝা যায়, তপঃ-স্বাধ্যায়-ঈশ্বরপ্রণিধানের এই ত্রিবিধ ভাব ভারতীয় চেতনায় এতটাই সহজাত যে, তা শাস্ত্র থেকে কাব্যে, যোগ থেকে সাহিত্যে অনায়াসে সঞ্চারিত হয়ে গেছে।”
Read Essayশো শেষ হয়েছে কয়েক মুহূর্ত হল। হাতে ঈশিতের দেওয়া কার্ডটা �...
নাট্যোৎপত্তির এই পর্বটি লিখতে লিখতে মহাভারতে অর্থশাস্ত...
স্বর্গ থেকে কোনো কিছুই অভিশাপ না পেলে পৃথিবীতে নেমে আসে �...
ব্যক্তিগত চর্চার কারণে আমি খেয়াল করে দেখেছি ভাষার ভিতর ...
বাংলাভাষার তথা বাংলা কাব্যের (বা সাহিত্যের) ইতিহাসকে চর্...
Insight from the Corpus
“আমাদের শরীরে সাতটি চক্র আছে — মূলাধার, স্বাধিষ্ঠান, মণিপুর, অনাহত, বিশুদ্ধ, আজ্ঞা ও সহস্রার। সাধারণত আমাদের মন মূলাধার, স্বাধিষ্ঠান ও মণিপুর চক্রেই ভ্রমণ করতে থাকে — অর্থাৎ ভয়, কামনা ও ক্ষমতার স্তরে। ক্রিয়াসাধনার মাধ্যমে আমাদের মন ক্রমশ উচ্চতর চক্রে, অর্থাৎ অনাহত (প্রেম), বিশুদ্ধ (সৃজন) ও আজ্ঞাচক্রের (বিবেক) ভূমিতে আরোহণ করে। অবশেষে যখন কুণ্ডলিনীশক্তি মস্তিষ্কস্থ সহস্রদলপদ্মযুক্ত সহস্রার চক্রে আরোহণ করে, তখন সাধক তাঁর সাধনার চরমবিন্দুতে পৌঁছান। কুণ্ডলিনী যখন এই চক্রগুলি ভেদ করে ঊর্ধ্বগামী হয়, তখন সাধক বিভিন্ন অলৌকিক অনুভূতি ও ক্ষমতা লাভ করেন — কিন্তু এগুলি লক্ষ্য নয়, পথের সংকেতমাত্র।”