নাট্যশাস্ত্র: ইতিহাস, ধারণা ও বর্তমান প্রেক্ষাপট (পর্ব ১)
আজ থেকে এক দশক আগে, ২০১৩ সালের মার্চ মাস নাগাদ, লাঞ্চের আম�...
Archive · নাট্যশাস্ত্র
Selected treatises, reflections, and commentaries on নাট্যশাস্ত্র within the civilisational corpus.
আজ থেকে এক দশক আগে, ২০১৩ সালের মার্চ মাস নাগাদ, লাঞ্চের আম�...
নাট্যশাস্ত্র তো কেবল নাট্যকলার উপযোগী কোনো হ্যান্ডবুক �...
কোনো গৌরচন্দ্রিকা না করেই আমরা এইবার নাট্যশাস্ত্রের অধ�...
Insight from the Corpus
“এই তপঃ-স্বাধ্যায়ের যুগলবন্দি নিছক যোগশাস্ত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, তা ভারতীয় সাহিত্যেরও গভীরে প্রোথিত। বাল্মীকি রামায়ণের প্রথম শ্লোকেই আমরা দেখি, বাল্মীকিকে বর্ণনা করা হয়েছে "তপঃস্বাধ্যায়নিরতম্" বলে — তপঃ ও স্বাধ্যায়ে নিরত। আর সমগ্র রামায়ণ রচনার পশ্চাতে বাল্মীকির নিজের কোনো কর্তৃত্বাভিমান ছিল না; ঐতিহ্য অনুসারে তিনি নিমিত্তমাত্র, স্বয়ং ব্রহ্মার আশীর্বাদে আবিষ্ট হয়ে এই মহাকাব্য রচনা করেছিলেন। ফলে গ্রন্থের সূচনাতেই তপঃ ও স্বাধ্যায়ের উপস্থিতি, এবং সমগ্র রচনাকর্মটিই যেন বাল্মীকির নিজস্ব ঈশ্বরপ্রণিধান — এই সংযোগ কোনোভাবেই আকস্মিক মনে হয় না। বরং এ থেকে বোঝা যায়, তপঃ-স্বাধ্যায়-ঈশ্বরপ্রণিধানের এই ত্রিবিধ ভাব ভারতীয় চেতনায় এতটাই সহজাত যে, তা শাস্ত্র থেকে কাব্যে, যোগ থেকে সাহিত্যে অনায়াসে সঞ্চারিত হয়ে গেছে।”
শ্রীকৃষ্ণ যতই গীতাতে ব্রহ্মজ্ঞানের দিকনির্দেশ করুন না �...
যেহেতু আমরা ইতিমধ্যেই ভারতীয় নাট্য পরম্পরার কথা উল্লেখ �...
নাট্যশাস্ত্রের সঙ্গে আমার প্রথম আলাপের কথা তো বলেইছি। এ�...
Reader's Pause
“আমি সেই পিতৃহীন সন্তান, যে আজও আশা করে বাবা বাড়ি এলে ঘুড়ি কেনা হবে ঠিকই। এই একটা স্বপ্নই তো বারবার হারিয়ে যাওয়া থেকে আমাকে ফিরিয়ে ফিরিয়ে আনে। এই ভাবেই যতক্ষণ পারো স্পর্শ করে থাকো।”
Read Essayযত দিন যাচ্ছে, জানি না আর্থসামাজিক কারণে, নাকি স্বভাবজ, জী...
আজ থেকে অনেক অনেক দিন আগের কথা। সেই সত্যযুগ ও ত্রেতাযুগে�...
হাতের সিগারেট শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও দুজনে বেশ কিছুক্ষণ ওখা...
নাট্যোৎপত্তির এই পর্বটি লিখতে লিখতে মহাভারতে অর্থশাস্ত...
স্বর্গ থেকে কোনো কিছুই অভিশাপ না পেলে পৃথিবীতে নেমে আসে �...
Insight from the Corpus
“গুরুর প্রকৃত কাজ কী? শাস্ত্রীয় পরিভাষায় তা হলো জ্ঞাননেত্রের উন্মীলন — অজ্ঞানতিমিরান্ধ শিষ্যের চক্ষু জ্ঞানরূপ অঞ্জনশলাকা দ্বারা উন্মোচন করে দেওয়া, যাতে সে অখণ্ডমণ্ডলাকার চরাচর-ব্যাপী পরমপদ প্রত্যক্ষ করতে পারে। এই কাজ সিদ্ধ হয় গুরুশক্তির দ্বারা, যা ঈশ্বরের নিজেরই শক্তি — আর্ত ও অজ্ঞানী জীবকে উদ্ধার করবার জন্য প্রযুক্ত। তাই চমৎকার, দিব্যদর্শন বা অলৌকিক ঘটনা এসব গুরুতত্ত্বের বহিরঙ্গ প্রকাশ মাত্র, সারবস্তু নয়। প্রকৃত সাধকের কাছে গুরুতত্ত্বের গুরুত্ব এইখানেই নিহিত — মহাবতার বাবাজী দেখতে কেমন, কতদিন দেহ ধারণ করে আছেন, বা কী কী অলৌকিক কাজ করেছেন, তা গৌণ প্রশ্ন; মুখ্য প্রশ্ন হলো, সেই এক অখণ্ড গুরুশক্তি কীভাবে লাহিড়ী মহাশয়ের দেহের মধ্য দিয়ে এবং তাঁর পরবর্তী শিষ্যপরম্পরার মধ্য দিয়ে আজও অবিচ্ছিন্নভাবে প্রবাহিত হয়ে চলেছে।”