হঠাৎ খেয়াল করে সব কিছুই কেমন শান্ত হয়ে গেছে। গাড়ি চলছে, রাস্তায় টায়ার ঘষার আওয়াজও আছে। কিন্তু এতক্ষণ যে বলিউড মেলোডিগুলো ড্রাইভার বাজাচ্ছিল, স্পিকারে, সেটা নেই। ওর মন বা কান সে দিকে ছিল না। তাই সে মনে করতেও পারে না, শেষ গানটা কী বাজছিল। তবু যাই হোক, ওই শব্দ ভরিয়ে রেখেছিল চারপাশ। এখন খালি খালি লাগছে। কেমন অস্বস্তি করতে লাগলো ওর। সে একটু উঠে সামনের দিকে উঁকি দিয়ে গান বন্ধ হওয়ার কারণটা বোঝার চেষ্টা করতেই দেখল, ঠিক ওর তিনটে রো আগে বসা সুশ্রুতদা নিজের সরোদ বের করেছে। বাসের সামনের দিকে খোলা একটা জানলা টাইট করে বন্ধ করছে কবীর, সে দলের বাঁশিবাদক। সুশ্রুতদার পাশ থেকে উঠে এসে ওকে একা ওর সরোদ নিয়ে বসার জায়গা করে দিচ্ছে বিনয়দা, পারকাশনিস্ট, পাখোয়াজ বের করল তন্ময়, বাসের মধ্যে এসরাজ বাজিয়ে লাভ নেই বলেই বোধ হয় সৌরভ শ্রোতার ভূমিকায়। টুংটাং করে যন্ত্রটা একটু টিউন করেই সুশ্রুতদা শুরু করল। রাত্তির এখন দুটো। এমন সময় হংসধ্বনির অকালবোধন করছে
Rate this Article
Your response to this piece
Discussion (0)
No voices yet
Be the first to contribute to this discussion.
Join the conversation
Share your perspective