কৌরব আজ ওর নামের মানে কিছুটা হলেও বুঝতে পারে। বুঝতে পারে ‘কৌরব’ এক নয় বহুবচন; সে নিজেই একটা দল, এক অন্ধ আবেগের সন্তান। সে অবাধ্য। যে অভিভাবনে মানুষ স্বচ্ছল হয়, তাকে ফেলে, যা ভীম, তার দিকে ছুটে চলে সে। সেই সে যে ঔদ্ধত্যে মুঠোর মধ্যে বন্দী করতে চাইবে ঈশ্বর, আর তিনি তাকে পরাস্ত করবেন, ডেস্টিনি দিয়ে। কৌরবের ডেস্টিনি কী? পরাস্ত হওয়া! নাহ্, পরাজয় অনিবার্য জেনেও, বিন্দুমাত্র ফাঁকি না দিয়ে যুদ্ধ করা।
সেদিনের পর দু’ বছর কেটে গিয়েছে। নিজের কাজে বিন্দুমাত্র ফাঁকি সে একটুও দেয়নি। গ্র্যাজুয়েশনশেষে প্রাথমিক কাজ ছিল মাস্টার্সে ভর্তি হওয়া, অভিভাবকেরা এটাই চান। কিন্তু সে ভেবেছে ডিপ্লোমা এনএসডি-র। কিন্তু তখনও সে বোঝেনি সংগঠন, যে জাঁতাকলে পড়ে, বিস্ময় যখন দল ছেড়ে দেয়, তখন রণিদার ভূমিকা নিয়ে ওর অনেক কিছু বলার থাকলেও পারেনি। বিস্ময় ওর ব্যাটনটা কৌরবকে খুব সফলভাবে বুঝিয়েই চলে যায়। যাওয়ার সময় এটাও বলে যায়, “নিজেকে অপরাধী ভাববি না এই নিয়ে। গ্রুপে এরকম হয়।” বাইরে থেকে চোখ ফেরায় সে।
Rate this Article
Your response to this piece
Discussion (0)
No voices yet
Be the first to contribute to this discussion.
Join the conversation
Share your perspective