জানলার বাইরে আনমনে তাকিয়ে কৌরব। আউটস্পোকেন জ্যোছনা নির্লজ্জের মতো বেআবরু। গাছগুলো মুখ লুকানোর জায়গা খুঁজে হন্যে। আকাশে খুলে যাচ্ছে একটার পর একটা জ্বলন্ত উল্কা, যেন চাঁদের সঙ্গে এক চূড়ান্ত সম্ভোগে তারার সমস্ত বাঁধন আলগা হয়ে লুটিয়ে পড়ছে মাটিতে। নিজেকে ওর চাঁদের সেই ঔরস বলে মনে হয়। তারার গর্ভে যে জন্ম নেবে বুধ রূপে। ওর গাড়ি এগিয়ে চলে। নির্লজ্জ জ্যোছনার ভিতর এগিয়ে চলে। সেই ভেজা আলোর ভিতর কৌরব পিছলে পিছলে যায়। গাড়ির ভিতর হিন্দী গানের কোলাহল। গাড়ির ভিতর থমথমে নীরবতা। কে যেন ওর সুষুন্মার দ্বার খুলে দেয়। একটা দীর্ঘশ্বাস সমস্ত স্মৃতিকে উড়িয়ে নিয়ে প্রবেশ করেসেখানে। মনে পরে,‘তুমি কে?’, সেই প্রশ্নটা, যা রণিদা ওকে ওর প্রথম ওয়ার্কশপে জিজ্ঞেস করেছিল। যেখানে কবীরকে সেই প্রথম কোনো প্রোডাকশনের জন্য নয়, শুধু নিজের জন্য বাজাতে শোনে সে। কী রাগ? কী রাগ বাজাচ্ছে ও? চিনতে পারে না। শুধু বুঝতে পারে ওই সুর নিংড়ে নিচ্ছে ওর সমস্ত পরিচয়, প্রতিরোধের কোনো শক্তি নেই আর। হা ঈশ্বর, এই কী আর্ট?
Rate this Article
Your response to this piece
Discussion (0)
No voices yet
Be the first to contribute to this discussion.
Join the conversation
Share your perspective